ভারতবর্ষে মুসলিম শাসকদের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম (পর্ব ১)

মূল: আব্দুস সালাম নদভী

অনুবাদ: ইমরান রাইহান

ভারতবর্ষের মুসলিম শাসকরা নানাভাবে জনকল্যাণের দিকে খেয়াল রাখতেন। তাদের এমনই কিছু্ উদ্যোগ নিয়ে এই প্রবন্ধ।

হাসপাতাল

মুসলিম শাসকদের মধ্যে ফিরোজ শাহ তুঘলক (সিংহাসন আরোহণকাল ৭৫২ হিজরী) সর্বপ্রথম একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন। এই হাসপাতালকে তখন সিহহত খানা বলা হতো। সুলতান এই হাসপাতালের জন্য কয়েকজন চিকিৎসক নিয়োগ দেন। হাসপাতালের পক্ষ থেকেই রোগীদের ওষুধপত্রের ব্যবস্থা করা হতো। হাসপাতালের ব্যয় বহনের জন্য সুলতান বেশকিছু জমি ওয়াকফ করে দেন। (১)

তারীখে ফিরোজশাহীতে শুধু এই একটি হাসপাতালের উল্লেখ আছে। কিন্তু ঐতিহাসিক আবুল কাসেম ফেরেশতা লিখেছেন, সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলক মোট ৫ টি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন। (২)

এরপর সুলতান আলাউদ্দিন বিন সুলতান আহমদ শাহ বাহামনি (মৃত্যু ৭৫৭ হিজরী) আহমেদাবাদে একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন। এই হাসপাতালের ব্যয় বহনের জন্য জমি ওয়াকফ করা হয়। (৩)

দক্ষিণাত্যে সুলতান আলাউদ্দিন সর্বপ্রথম হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন। এই হাসপাতালের চিকিৎসকদের বেতন রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে বহন করা হতো। (৪)

৮৪৯ হিজরীতে মালোয়ার শাসক মাহমুদ খিলজি শাদিআবাদ শহরে একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন। এই হাসপাতালের জন্য জমি ওয়াকফ করা হয় এবং হেকিম মাওলানা ফজলুল্লাহকে পাগলদের চিকিৎসা করার দায়িত্ব দেয়া হয়। (৫)

মুঘল বাদশাহদের মধ্যে জাহাঙ্গীর সর্বপ্রথম হাসপাতাল প্রতিষ্ঠায় মনোযোগ দেন। সিংহাসনে আরোহণ করার পর তিনি যে ফরমান জারি করেন তাতে গুরুত্বের সাথে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার কথা উল্লেখ ছিল। (৬)

সেকালের একজন প্রসিদ্ধ চিকিৎসক হেকিম আলি প্রতিবছর দরিদ্রদের মধ্যে প্রায় ৬ হাজার ওষুধ বিলি করতেন। (৭)

সম্রাট শাহজাহান নতুন কোনো হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেননি তবে তার একজন সভাসদ উযির খান, যিনি সাত বছর পাঞ্জাবের সুবাদার ছিলেন, তিনি একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন। (৮)

আলমগীরের শাসনামলে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার স্পষ্ট কোনো বিবরণ পাওয়া যায় না। তবে বিভিন্ন ঐতিহাসিক তথ্য থেকে বুঝা যায় সম্রাট এদিকে মনোযোগী ছিলেন। খফি খান লিখেছেন একবার সম্রাট দুজন চিকিৎসক কে দায়িত্বে অবহেলার কারনে বরখাস্ত করেন। (৯)

এছাড়া মিরআতে আহমদি গ্রন্থের বক্তব্য অনুসারে, সম্রাট হেকিম মোহাম্মদ রকি সিরাজি ও হেকিম রাজিউদ্দিনকে চিকিৎসক হিসেবে নিয়োগ দেন। (১০)

সরাইখানা

ঐতিহাসিক বর্ননা থেকে দেখা যায়, মুসলিম শাসকদের মধ্যে সর্বপ্রথম সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক সরাইখানা নির্মান করেন । তিনি যখন রাজধানী দিল্লী থেকে দেবগিরিতে (দৌলতাবাদ) সরিয়ে নেন, তখন পথে অনেক সরাইখানা নির্মান করেছিলেন। সরাইখানা নির্মানের জন্য ছায়াময় স্থান বেছে নেয়া হয়েছিল। (১১)

এরপর গুজরাটের সুলতান মাহমুদ বিগ্রাহ গুজরাটে অনেক সরাইখানা নির্মান করেন। (১২)। ৮৯৪ হিজরীতে সুলতান সিকান্দার লোদি সিংহাসনে আরোহন করেন। তিনিও অনেক মসজিদ, মাদ্রাসা ও সরাইখানা নির্মান করেন। (১৩)

শেরশাহ ৯৫২ হিজরীতে দিল্লী থেকে লাহোরগামী সড়কে প্রতি দুই ক্রোশ পরপর সরাইখানা নির্মান করেন। (১৪) এছাড়া তারীখে ফেরেশতার বিবরণ অনুযায়ী শেরশাহ যখন গ্রান্ড ট্রাংক রোড নির্মান করেন তখন এই সড়কের পাশে প্রচুর সরাইখানা নির্মান করেন। (১৫)

সোনারগা থেকে সিন্ধ পর্যন্ত বিস্তৃত এই সড়কে প্রায় তিনশো সরাইখানা ছিল। শের শাহের মৃতুর পর যখন সেলিম শাহ উত্তরাধিকারী হন তখন তিনিও প্রচুর সরাইখানা নির্মান করেন। (১৬) মুঘল সম্রাট আকবরও অনেক সরাইখানা নির্মান করেছিলেন। আবুল ফজলের বক্তব্য থেকে একথার প্রমান মেলে। (১৭)

এছাড়া আকবরের সভাসদদের অনেকেও সরাইখানা নির্মান করেছিলেন। শায়খ আব্দুর রহিম লখনভী নামে আকবরের এক সভাসদের মৃত্যুর পর তার স্ত্রী স্বামীর স্মৃতির স্মরণে অনেক বাগান ও সরাইখানা নির্মান করেন। (১৮)

সাদেক মুহাম্মদ খান নামে আকবরের এক আমির ধলপুরে বসবাস করতেন। এটি আগ্রার পাশে অবস্থিত একটি এলাকা। সাদেক মুহাম্মদ খান এখানে একটি মসজিদ ও সরাইখানা নির্মান করেন।

সম্রাট জাহাংগীর সিংহাসনে আরোহনের পর যে ফরমান জারী করেন তার ৩য় আদেশ ছিল, কেউ লা ওয়ারিশ মারা গেলে তার সম্পত্তি দিয়ে মসজিদ এবং সরাইখানা নির্মান করা হবে। এছাড়াও সম্রাটের আদেশ ছিল যেসব সড়কে ডাকাতি হয় সেসব স্থানে মসজিদ ও সরাইখানা নির্মান করা। (১৯)

জাহাংগীরের একজন সভাসদ শেখ ফরিদ মুর্তজা বোখারি অনেক সরাইখানা নির্মান করেন। (২০) আমির আল্লাহ ওয়ার্দি খান ছিলেন সম্রাট জাহাংগিরের একান্ত সহচর। তিনিও একটি সরাইখানা নির্মান করেন। (২১) শাহজাহানের শাসনামলেও আমিররা অনেক সরাইখানা নির্মান করেন। আজম খান ইসলামাবাদে বেশকিছু সরাইখানা নির্মান করেন। নসরত জং বুরহানপুরে অনেক সরাইখানা নির্মান করেন। (২২)

তবে তখনো বেশকিছু সড়কে সরাইখানা নির্মান করা হয়নি। বিশেষ করে লাহোর থেকে কাবুলগামী সড়ক ও আওরংগাবাদ থেকে আকবরাবাদের পথে কোনো সরাইখানা ছিল না। এই পথে মুসাফিরদের অনেক কষ্ট হতো। আলমগীর ক্ষমতায় এসে এসব সড়কে অনেক সরাইখানা নির্মান করেন। (২৩) অন্যান্য মুঘল বাদশাহরা যেমন শাহ আলম, মুহাম্মদ শাহ প্রমুখ অনেক সরাইখানা নির্মান করেন। (২৪)

সাধারনত এসব সরাইখানার সাথে মসজিদ নির্মান করা হতো। কখনো কখনো সরাইখানার পাশে বাজার বসতো। এমনকি একে ঘিরে গ্রামও আবাদ হতো। সরাইখানা সাধারনত রাস্তার পাশে নির্মান করা হতো। পথিকরা অর্থের বিনিময়ে এখানে খাবার গ্রহন করতো ও রাত্রীযাপন করতো।

মেহমানখানা

মেহমানখানা নির্মান করা হতো শহরে। এসব মেহমানখানায় যে কেউ তিনদিন অবস্থান করে খাবার গ্রহন করতে পারতো। এরজন্য কোনো অর্থ ব্যয় করতে হতো না। সাধারনত মেহমানখানার জন্য আলাদা কোনো ভবন নির্মান করা হতো না। সুফিদের খানকাহগুলোকেই এই কাজে ব্যবহার করা হতো।

সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলক মেহমানদের থাকার জন্য দিল্লী ও ফিরোজাবাদে ১২০ টি খানকাহ নির্মান করেন। এসব মেহমানখানার দেখভালের জন্য একজনকে দায়িত্ব দেয়া হয়। রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে তার বেতন দেয়া হতো। (২৫)

আযমগড়ে একটি খানকাহ নির্মান করা হয়। যার নামানুসারে সেখানে খানকাহ নামে একটি বসতি গড়ে উঠে।

লংগরখানা (২৬)

সুলতান মাহমুদ খিলজি মালোয়াহ শহরে প্রচুর লংগরখানা নির্মান করেন। এসব লংগরখানা থেকে দরিদ্র ও দুস্থদের খাবার দেয়া হত। (২৭) আলাউদ্দিন সাইয়েদ হুসাইন মক্কি বাংলায় অনেক লংগরখানা খোলেন। এসব লংগরখানার জন্য কিছু গ্রাম ওয়াকফ করে দেয়া হয়।

বিখ্যাত সুফী সাধক নুর কুতবুল আলমের খানকাহ সংলগ্ন লঙ্গরখানার জন্য গ্রাম ওয়াকফ করা হয়। (২৮) সম্রাট জাহাংগীর আহমেদাবাদ , এলাহাবাদ, দিল্লী, আগ্রা, লাহোর ইত্যাদী শহরে অনেক লংগরখানা নির্মান করেন। (২৯) এসব লংগরখানা সারা বছর খোলা থাকতো।

এছাড়া কোথাও দুর্ভিক্ষ হলে সেখানে অস্থায়ী কিছু লংগরখানা খোলা হতো যা দুর্ভিক্ষ শেষে বন্ধ করা হতো। গুজরাটে সুলতান বাহাদুর শাহর আমলে দুর্ভিক্ষ হলে তিনি সেখানে কিছু অস্থায়ী লংগরখানা প্রতিষ্ঠা করেন। (৩০) সম্রাট শাহজাহানের আমলে গুজরাটে দুর্ভিক্ষ হলে বোরহানপুর ও আহমেদাবাদে অনেক অস্থায়ী লংগরখানা খোলা হয়। (৩১)

শাহজাহানের শাসনামলে পাঞ্জাবে তীব্র দুর্ভিক্ষ শুরু হয়। লোকজন বাধ্য হয়ে নিজের সন্তানদের বিক্রি শুরু করে। সম্রাট এ সংবাদ জানতে পেরে দশটি লংগখানা খোলার নির্দেশ দেন। প্রতিটি লংগরখানায় দৈনিক দুশো রুপি খরচ করা হত। কাশ্মিরে দুর্ভিক্ষ হলে শাহজাহান সেখানে কইয়েকটি লংগরখানা খোলেন।

আলমগীরের শাসনামলে দুর্ভিক্ষ হলে তিনি রাজধানীতে বেশকিছু লংগরখানা প্রতিষ্ঠা করেন। এছাড়া আমিররাও লংগরখানা খুলতেন। মীর জুমলা এমন কিছু লংগরখানা প্রতিষ্ঠা করেন। (৩২)

অসহায় ও দুস্থদের সাহায্যের বিভিন্ন পদ্ধতি

মুসলমান শাসকরা গরীব ও অসহায়দের সাহায্যের জন্য নানা পদ্ধতি বেছে নিয়েছিলেন। সুলতান গিয়াসুদ্দিন বলবনের শাসনকালে (৬৬২ হিজরীতে সিংহাসনে আরোহন করেন) ফখরুদ্দিন নামে একজন আমীর ছিলেন যাকে মালিকুল উমারা উপাধিতে ভূষিত করা হয়। তিনি প্রতিবছর প্রায় এক হাজার দরিদ্র মেয়ের বিয়ের ব্যবস্থা করতেন। (৩৩)

সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলক দরিদ্র মেয়েদের সাহায্যের জন্য একটি বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন। সুলতানের আদেশ ছিল যাদের ঘরে যুবতী মেয়ে আছে এবং আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারনে বিয়ে দিতে পারছে না, তারা এই বিভাগে এসে নিজের কথা জানাবে। দায়িত্বশীল কর্মকর্তা খোজখবর নিয়ে তাদের আর্থিক সাহায্য করবেন। এই বিভাগ থেকে তিন স্তরের ভাতা দেয়া হতো।

৫০ তংকা
৩০ তংকা
২৫ তংকা

এই বিভাগ প্রতিষ্ঠার পর দরিদ্র ও অসহায় মেয়েরা এবং বিধবা নারীরা প্রচুর আর্থিক সাহায্য লাভ করে। (৩৪)

আকবরের শাসনামলে শায়খ ফরিদ মুরতাজা খান বোখারী গুজরাটের দরিদ্র মেয়েদের একটি তাল্কা করে তাদের বিয়ের খরচ রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে ব্যয় করেন। তিনি দরিদ্র গর্ভবতী মেয়েদের জন্যেও ভাতার ব্যবস্থা করেন। (৩৫)

সুলতান মাহমুদ শাহ বাহামনি দৌলতাবাদ, কান্দাহার, ইবলিচপুর, খায়বার, গুলবর্গা, জিউল ইত্যাদী এলাকায় ইয়াতিমদের শিক্ষার ব্যবস্থা করেন। এছাড়া তিনি অন্ধদের জন্য মাসিক ভাতার ব্যবস্থা করেন। (৩৬)

সুলতান সিকান্দার লোদি বছরে দুবার দরিদ্রদের তালিকা করে তাদের আর্থিক সাহায্য করতেন। (৩৭) সুলতান ইবরাহিম লোদিও তার শাসনামলে পিতার কাজের ধারা চালু রাখেন। সুলতান মাহমুদ খান গুজরাটে অনেক কর্মচারী নিয়োগ করেন যাদের কাজ ছিল দরিদ্রদের তালিকা করে তাদের সাহায্য করা এবং মুসাফিরদের খাবারের ব্যবস্থা করা।

সম্রাট জাহাংগীরের শাসনামলে কাশ্মীরে তীব্র শীত শুরু হয়। সম্রাট এ সময় একটি গ্রাম ওয়াকফ করে দেন। যার আয় দ্বারা দরিদ্রদের শীতের কাপড় দেয়া হয় এবং মসজিদে গরম পানির ব্যবস্থা করা হয়। (৩৭) সম্রাট আলমগীর প্রতি শীতে আহমেদাবাদে দেড় হাজার কম্বল ও দেড় হাজার শীতের বিতরন করার আদেশ দেন। (৩৮)

বাংলার সুবাদার শায়েস্তা খান দরিদ্র ও বিধবা নারীদের আর্থিক সাহায্য করতেন। (৩৯) এছাড়া বিভিন্ন সময় সুলতান ও আমীররা নানাভাবে দান খয়রাত করতেন যার বিবরন ইতিহাস গ্রন্থের পাতায় পাতায় আজো বিদ্যমান।

(চলবে)

টীকা

১। তারীখে ফিরোজশাহী, ২য় খন্ড, ৩৫৩-৩৫৯ পৃষ্ঠা।

২। তারীখে ফেরেশতা, ১ম খন্ড,১৫১ পৃষ্ঠা।

৩। প্রাগুক্ত, ৩৩৩ পৃষ্ঠা।

৪। তারীখে দাক্কান, ৭৮ পৃষ্ঠা।

৫। তারীখে ফেরেশতা, ২য় খন্ড, ২৪৮ পৃষ্ঠা।

৬। তুজুকে জাহাঙ্গীরি, ৫ পৃষ্ঠা, নওল কিশোর প্রেস।

৭। মাআসিরুল উমারা, প্রথম খন্ড, ৫৭৩ পৃষ্ঠা।

৮। প্রাগুক্ত, ৩য় খন্ড, ৯৩৬ পৃষ্ঠা।

৯। খফি খান, ২য় খন্ড, ৪১১ পৃষ্ঠা।

১০। মিরআতে আহমদি, ৩৭৫ পৃষ্ঠা।

১১। তারীখে ফেরেশতা, ১ম খন্ড, ১৩৬ পৃষ্ঠা।

১২। মিরআতে সিকান্দরি, ৭৫ পৃষ্ঠা।

১৩। তারীখে ফেরেশতা, ১ম খন্ড, ১৮২ পৃষ্ঠা।

১৪। প্রাগুক্ত, ২য় খন্ড, ২৭১ পৃষ্ঠা।

১৫। প্রাগুক্ত, ১ম খন্ড, ২২৭ পৃষ্ঠা।

১৬। প্রাগুক্ত, ১ম খন্ড, ২৪২ পৃষ্ঠা।

১৭। আইনে আকবরি, ১ম খন্ড, ১১৫ পৃষ্ঠা।

১৮। মাআসিরুল উমারা, ২য় খন্ড, ৫৪৫ পৃষ্ঠা।

১৯। তুজুকে জাহাংগীরি, ৫ পৃষ্ঠা, নওল কিশর প্রেস।

২০। মাআসিরুল উমারা, ২য় খন্ড, ৬৩৯ পৃষ্ঠা।

২১। প্রাগুক্ত, ৭৫৭ পৃষ্ঠা।

২২। প্রগুক্ত, ৩য় খন্ড, ৯৫ পৃষ্ঠা।

২৩। আলমগীরনামা, ৭৬৫ পৃষ্ঠা।

২৪। মুন্তাখাবুল লুবাব, ৯৩৬ পৃষ্ঠা।

২৫। তারীখে ফিরোজশাহী, ২য় খন্ড, ৩০৩ পৃষ্ঠা।

২৬। লংগরখানয় দরিদ্র ও ফকিরদের বিনামূল্যে শুকনো কিংবা রান্না করা খাবার দেয়া হতো। –অনুবাদক।

২৭। তারীখে ফেরেশতা, ২য় খন্ড, ২৪৪ পৃষ্ঠা।

২৮।রিয়াজুস সালাতিন, ১৩৫/১৩৬ পৃষ্ঠা।

২৯। তুজুকে জাহাংগিরী, ৩৬, ১০০ পৃষ্ঠা।

৩০। তারীখে ফেরেশতা, ২য় খন্ড, ২১৫ পৃষ্ঠা।

৩১। বাদশাহনামা, ১ম খন্ড, ৩৬৩ পৃষ্ঠা।

৩২। মাআসিরুল উমারা, ৩য় খন্ড, ৪১৬ পৃষ্ঠা।

৩৩। তারীখে ফিরোজশাহী, ১ম খন্ড, ১১৭ পৃষ্ঠা।

৩৪। প্রাগুক্ত, ২য় খন্ড, ৩৪৯ পৃষ্ঠা।

৩৫। মাআসিরুল উমারা, ২য় খন্ড, ৬৩৯ পৃষ্ঠা।

৩৬। তারীখে ফেরেশতা, ১ম খন্ড, ৩০২ পৃষ্ঠা।

৩৭। প্রাগুক্ত, ১৮৬ পৃষ্ঠা।

৩৮।তুজুকে জাহাংগিরী, ৩৫২ পৃষ্ঠা।

৩৯। মিরআতে আহমদি, ১ম খন্ড, ৩৫২ পৃষ্ঠা।

৪০। রিয়াজুস সালাতিন, ২২২ পৃষ্ঠা।

অন্যান্য লেখা

বইয়ের ক্যাটালগ ডাউনলোড করুন